রবিবার, ২২ মে, ২০১১

তিনি 'ডুমুরের ফুল'


মন্ত্রণালয়ে

মন্ত্রী বটে। অনেক সময় প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোন রিসিভ করেন না। অফিসে অনিয়মিত। বর্তমান সরকারের আড়াই বছরে আড়াই মাসও অফিসে এসেছেন কিনা সন্দেহ। এই মন্ত্রীর বাসায় গিয়ে প্রায়শই ফাইল অনুমোদনের জন্য পদস্থ কর্মকর্তাদের ধরনা দিতে হয়। সে এক করুণ পরিস্থিতি। যার কারণে মন্ত্রীর অফিস ও সরকারি বাসায় ফাইলের স্তূপ জমেছে।
তিনি সরকারি দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হলেও পারতপক্ষে দলীয় কার্যালয়মুখো হন না। নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ নেই বললেই চলে। এ নিয়ে সহযোগী সংগঠনের নেতারা আনুষ্ঠানিক বৈঠকে ওই মন্ত্রীর কড়া সমালোচনা করেছেন। এই মন্ত্রীর নাম সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী। কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ। নির্বাচনী এলাকায় যান কালেভদ্রে। সুযোগ পেলেই লন্ডন সফরে যান। এই অবস্থায় তিনি এলজিআরডি মন্ত্রণালয় ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের কাছে রীতিমতো 'ডুমুরের ফুল' হয়ে পড়েছেন। অনেকে মনে করেন, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম একজন মেধাবী রাজনৈতিক নেতা। বেশ গুছিয়ে কথা বলেন তিনি। যুক্তি দিয়ে বিরোধী দলের বক্তব্য খণ্ডনে পারঙ্গম। দু'চারজন নিকটাত্মীয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও এলজিআরডি মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নেই। তারপরও কেন তিনি নিজেকে গুটিয়ে রেখেছেন, সন্ধ্যার পর প্রায়শই কেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকছেন_এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজেও অনেকে পাননি। কেন তিনি কোনো কোনো সময় দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশ পালনেও অনীহা দেখান_ এই জিজ্ঞাসা দলের শীর্ষ নেতাদেরও। তার নিষ্ক্রিয়তার কারণে প্রায়শই দলের অন্য নেতাদের সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত প্রচার করতে হচ্ছে। আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বলেছেন, গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার চেয়ে হেয়ার রোডে গিয়ে
লজিআরডি মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করা কঠিন। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতসহ মন্ত্রিসভার কয়েকজন সিনিয়র সদস্য বাড়িতে তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন। মন্ত্রীর সঙ্গে তাদের দেখা হয়নি। তবে মন্ত্রিসভার হাতেগোনা কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে বেশ সখ্য এলজিআরডি মন্ত্রীর। মন্ত্রিসভার এই সদস্যরাও অনেকটা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মতোই। তাদের সঙ্গেও নেতাকর্মীদের বেশ দূরত্বের সৃষ্টি হয়েছে। তারাও আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের মতো কাজেকর্মে অনেকটা উদাসীন। ফাইল অনুমোদনে তাদেরও রয়েছে শম্বুকগতি।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম তার মেধা মন্ত্রণালয় পরিচালনা কিংবা দলীয় কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করছেন না। খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির অফিসে যান না। শেষবারের মতো কবে দলের বঙ্গবন্ধু এভিনিউর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গেছেন, তা স্মরণে আনতে পারে না অনেক নেতাকর্মী। এই অবস্থায় সাংগঠনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা চলছে।
জানা গেছে, এসব কারণে ক্ষুব্ধ দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেও। এলজিআরডি মন্ত্রীর খামখেয়ালিপনার কারণে অনেক সময় প্রধানমন্ত্রীও বিব্রত হন।
এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তারা সমকালকে জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের একজন মন্ত্রী হওয়ার পরও মহাজোট সরকারের আড়াই বছরের মধ্যে সব মিলিয়ে আড়াই মাসও নিয়মিত অফিস করেননি সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। এমনকি মন্ত্রণালয়ের মাসিক বৈঠকেও তিনি প্রায়ই অনুপস্থিত থাকছেন। এ কারণে তার হেয়ার রোডের সরকারি বাসায় গুরুত্বপূর্ণ ফাইল অনুমোদনের জন্য নিয়ে যান সচিবসহ পদস্থ কর্মকর্তারা। তারপরও ফাইলে স্বাক্ষর করতে আগ্রহ কমই দেখান মন্ত্রী। তিনি পারতপক্ষে এক সপ্তাহের আগে কোনো ফাইলের অনুমোদন দেন না। ব্যস্ততার কথা বলে কর্মকর্তাদের অনেক সময় ফিরিয়ে দেন।
মন্ত্রীর নিয়মিত অনুপস্থিতি ও দাফতক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সঠিক নির্দেশনা না থাকায় কর্মকর্তারা অনেক সময় জরুরি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। কর্মকর্তারা অনেক সময় মন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করেও ব্যর্থ হন।
অফিসে অনিয়মিত আসার পাশাপাশি টেলিফোন যোগাযোগেও বড্ড অনাগ্রহ এলজিআরডি মন্ত্রীর। তিনি খুব কমসংখ্যক লোকেরই টেলিফোন রিসিভ করেন। তার বিরুদ্ধে খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টেলিফোন রিসিভ না করারও প্রমাণ রয়েছে। এ নিয়ে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই। তারপরও পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটেনি।
তবে ই-মেইল যোগাযোগে তার আগ্রহ কম নেই। তিনি যে কারোরই ই-মেইলের জবাব দেন তাৎক্ষণিকভাবে। তাতে লাভ হচ্ছে না। দলের সিংহভাগ নেতাকর্মী তার ই-মেইল ঠিকানা জানেন না।
মন্ত্রীর প্রায় নিয়মিত অনুপস্থিতি ও দিকনির্দেশনার অভাবে চলতি অর্থবছরে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি আদৌ নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন হবে কি-না তা নিয়েও রয়েছে সন্দেহ।
মন্ত্রীর কোপানলে পড়ার ভয়ে মন্ত্রণালয়ের কেউই মুখ খুলতে চান না। তাদের কথা, স্থানীয় সরকার বিভাগকে শক্তিশালীকরণসহ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়কে নতুন রূপ দেওয়াটা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এজন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজ করে যাচ্ছেন। দফতরে মন্ত্রীর অনুপস্থিতি ও ফাইল অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতা হওয়ায় স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড থমকে যাচ্ছে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ, মন্ত্রীর মতো এপিএসও অনেক সময় পদস্থ কর্মকর্তাদের টেলিফোন রিসিভ করেন না। এই অবস্থায় অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই মন্ত্রীর অনুমোদন ছাড়াই দাফতরিক আদেশ জারি করতে হচ্ছে। আদেশ জারির পর ফাইলে পুরনো তারিখে মন্ত্রীর স্বাক্ষর নেওয়া হচ্ছে।
বর্তমান সরকার উপজেলা পরিষদ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও বেশিরভাগ পৌরসভার নির্বাচন সম্পন্ন করেছে। স্থানীয় সরকারের মূল স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন চলছে। এসব নির্বাচনের পরও মন্ত্রণালয়ের উদাসীনতার কারণে আগের মতোই খুঁড়িয়ে চলছে এসব প্রতিষ্ঠান। এগুলো শক্তিশালী করতে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
প্রায় দু'বছর আগে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হলেও চেয়ারম্যানরা আজতক সুস্পষ্ট দায়িত্ব বুঝে পাননি। চেয়ারম্যানদের নির্ধারিত দায়িত্ব দিতে উপজেলা পরিষদ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হলেও তা সংসদে অনুমোদন পায়নি। এটি আটকে আছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে। সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এলজিআরডি মন্ত্রীর অনুপস্থিতির কারণে আইনটি চূড়ান্ত রূপ পাচ্ছে না।
উপজেলা চেয়ারম্যানদের সঙ্গে বৈঠক করে আইনটি চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সংসদীয় কমিটি। মন্ত্রীর গড়িমসির কারণে এখন পর্যন্ত আইনটি নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেনি সংসদীয় কমিটি। পৌরসভাগুলোর কাঠামো উন্নত করতে একটি বিশেষ প্রকল্প গ্রহণের জন্য ফাইল তৈরি করা হলেও তা এক মাস ধরে পড়ে আছে মন্ত্রীর বাসায়।
ঢাকা সিটি করপোরশনের নির্বাচন নিয়েও কোনো ভাবনা নেই মন্ত্রণালয়ের। ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর এমপিদের সঙ্গে বৈঠক করে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দু'ভাগে ভাগ করার বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দেন। এর ভিত্তিতে সিটি করপোরেশন আইনের সংশোধনী চূড়ান্ত করে দু'মাস আগে মন্ত্রীর কাছে সারসংক্ষেপ পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে মন্ত্রীর মতামত পাওয়া যায়নি।
সরকার সাম্প্রতিক সময়ে জেলা পরিষদকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য জেলা পরিষদ আইনের কিছু ধারার সংযোজন-বিয়োজন করে জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ করার প্রস্তাব প্রায় এক মাস আগে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের কাছে পাঠানো হয়। সেই ফাইল এখনও ফেরত আসেনি।
প্রধানমন্ত্রী জেলা পরিষদে দলীয় নেতাদের প্রশাসক পদে নিয়োগ দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। এই ব্যাপারে আনুষঙ্গিক প্রস্তুতিও চলছে। এমনকি সম্ভাব্য প্রশাসকদের প্রাথমিক তালিকাও তৈরি হয়েছে। এলজিআরডি মন্ত্রী এই প্রক্রিয়ায় সন্মত হচ্ছেন না বলে পুরো প্রক্রিয়াটি ঝুলে গেছে। সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান, যুগ্ম সচিব এবং উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ছুটি অনুমোদনের দায়িত্ব মন্ত্রীর। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের অনাহূত ঝামেলা ও বিভ্রান্তি সইতে হচ্ছে। মন্ত্রীকে না পাওয়ায় তারা চার মাসের মধ্যেও ছুটি পাচ্ছেন না।
এ ধরনের কর্মকর্তারা ছুটি চাওয়ার পর এক সপ্তাহের মধ্যে ফাইলে স্বাক্ষর করছেন মন্ত্রণালয়ের সচিব। পরে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সেই ফাইল মন্ত্রণালয়ের পিও মন্ত্রীর বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন। সেখানেই আটকে থাকছে ছুটি অনুমোদনের ফাইল। এই অবস্থায় বড় ধরনের বিপাকে পড়ছেন চিকিৎসা ও সেমিনারে অংশ নেওয়ার জন্য ছুটিপ্রত্যাশী কর্মকর্তারা। এই ধরনের কর্মকর্তাদের বেলায় মন্ত্রীর পিএস অশোক মাধব রায় অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে ছুটির আদেশ জারি করার সম্মতি দিচ্ছেন। পরে মন্ত্রীর কাছ থেকে পুরনো তারিখে এই সংক্রান্ত ফাইলে স্বাক্ষর নেওয়া হচ্ছে।
তিন মাস আগে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে ছুটির আবেদন করেছিলেন নীলফামারী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান। ১০ দিনের মধ্যে সচিব এই সংক্রান্ত ফাইলে স্বাক্ষর করেছিলেন। অথচ চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ফাইলটি এখনও মন্ত্রীর বাসায় পড়ে আছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদফতরে প্রকৌশলী আফাজ উদ্দিন গত এপ্রিল মাসের শুরুতে ছুটির জন্য আবেদন করেও অনুমতি পাননি।
মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব আবদুল মালেক একটি সেমিনারে যোগ দিতে গত ১৫ মে আমেরিকার ওয়াশিংটনে গেছেন। এ বিষয়ে ফাইলে অনুমোদন দিতে মন্ত্রী দীর্ঘসূত্রতা করায় অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই আদেশ জারি করা হয়েছে। অবশ্য পরে ফাইল অনুমোদন করেছেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
গত সপ্তাহে পৌরসভাকে টোল আদেশের নির্দেশ দিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জেলা প্রশাসকদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ চিঠি জারির আগ পর্যন্ত ফাইলে মন্ত্রীর স্বাক্ষর নেওয়া সম্ভব হয়নি। এক সপ্তাহ পর মন্ত্রী এই ফাইলে অনুমোদন দিয়েছেন। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ফাইলে স্বাক্ষর করার পর নিজ হাতে তারিখ লেখেন না। মন্ত্রীর পিএস তারিখ বসিয়ে দেন।
এ পর্যন্ত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের কোনো সভায়ই মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম উপস্থিত থেকে নির্দেশনা দেননি। ফলে অনেক অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্পের সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।
বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পের মধ্যে রায়েরবাজার কবর নির্মাণ প্রকল্প এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বাকি প্রকল্পগুলোর মধ্যে ঢাকা মহানগরীর মিরপুর ও আফতাবনগর এলাকায় দুটি কবরস্থান নির্মাণ, রাজধানীর ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা, নর্দমা ও ফুটপাত উন্নয়ন, মিরপুর দারুসসালাম থেকে কচুক্ষেত রাস্তা নির্মাণ, ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন সড়কে এনার্জি সেভিং বাতি স্থাপনের কাজ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সরকারের আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সহায়তার বরাদ্দও ছাড় করতে পারেনি মন্ত্রণালয়। বরাদ্দ ছাড়ের ফাইল মন্ত্রীর কাছে পাঠানো হলে সেটা মাসের পর মাস আটকে থাকছে। ফলে বরাদ্দের অনেকাংশই মন্ত্রণালয়ের হাতে থেকে যাচ্ছে। এবার ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সহায়তায় ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও ছাড় করা হয়েছে মাত্র তিন কোটি টাকা। এভাবেই চলছে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন